top of page

দুগ্গা দুগ্গা...

সপ্তর্ষি-প্রশান্তদের মতে উনি হাই-কম্যান্ড – তাই বিশ্বকর্মা পূজোর দিন উনি যখন স্ব-কন্যা আসলেন তখন সবাই থরহরিকম্পমান ।

এসেই গাড়িতে উঠে “হুকুম” যা যা এনেছেন তা পূজোতে দু বেলা করে পরতে হবে। মনিষ প্রশান্ত সুজন মাথা নেড়ে ফেলে আর কি – তার পরের প্রশ্ন সপ্তর্ষি কেন এয়ারপোর্টে আসলো না (সপ্তর্ষি বলে দিয়েছিলো যে কোলকাতা না আসা পর্যন্ত দিদি কে না জানাতে), বললাম – কবে কাজ জিজ্ঞেস করে উনি ফুল পাঠাবেন আর কি কি সব ঠিক হয়ে গেলো গাড়িতেই । বুঝলেন যে এইবার পূজোতে আনন্দ করার মানসিকতা আমাদের কারোর নেই। ভালো লাগলো উনি সেটা বুঝতে পারলেন বলে।

এর মধ্যে আমার হল শরীর খারাপ – তিন চারদিন সেখানেই কেটে গেলো - তাঁর মধ্যে সময় করে প্রশান্ত – মনিষ, দিদি আর বুচুরানি কে নিয়ে বার হল । দিদি-র সঙ্গে একদিন দেখা করতে এলো টুবাই । সেইদিন প্রথম একটু ভালো লাগলো । ডাক্তার ভাগ্নি আর দিদি-র কড়া হুকুমে প্রায় ৮ ঘণ্টা টানা ঘুমোতে হল । কি বোরিং - কবে যে লাস্ট এইভাবে ঘুমিয়েছি মনেই পরে না।

আমরা একদিন গেলাম অরবিন্দ আশ্রমে (ওটা mandatory) – অনেকদিন বাদে পিটার ক্যাটের চেলো কাবাবের স্বাদ পাওয়া গেলো। #flurys তো must... এর মধ্যে অঞ্জনদাদা এসে পৌঁছালেন।

বুচুদিদি-র সঙ্গে আলাপীর দারুণ দোস্তি... প্রশান্ত কাকাই কে ছেড়ে রোজ সকালে ব্রেকফাস্ট খাওয়ালো বুচুদিদি...”অ্যালাপী” “অ্যালাপী” করে বুচুও সারাক্ষণ সময় কাটালো দিদি-র বাটুসের সঙ্গে।

একদিন সন্ধ্যেবেলায় পাপা, বুচুরানী বসলো গান গাইতে। আমি বনফুল থেকে তরী তে পা দিইনি সব চলল...দিদি এইবার প্রায় পাঁচ ছয়দিন শাড়ি পরলো – সেটা টলি ক্লাব থেকে টালা পার্ক – সব জায়গাতেই বরকারার থাকলো ।

দিদি, অসম্ভব বিরক্ত হয় যেখানে সেখানে ছবি তোলা, তবে মনিষের অনুরোধে সেটাও করলেন। প্রশান্ত আমাদের প্রজেক্টের কাজ শুরুর আগে বুচুরানির জন্য অ্যারেঞ্জ করলো পূজো পরিক্রমা, বোধহয় পঞ্চমীর দিনে...প্রায় ১২/১৩টা ঠাকুর দেখা হল যুব বৃন্দ, তেলেঙ্গা বাগান নিয়ে।

অঞ্জলি দেওয়া হল বাড়ির মা দুর্গা-র কাছে । তারপর নবমী-র রাত বারোটায় (ট্যেকনিক্যালি দশমী) দিদি স্ব-পরিবার রওনা হলেন টেক্সাসের পথে...


P.S. অঞ্জনদাদার ছবি দেওয়া সম্ভব হলো না, কারণ আমাদের ফোটো সেশানের সময় অঞ্জনদাদা ছিলেন ব্যস্ত।


120 views0 comments

Related Posts

See All

Mucize

bottom of page