top of page
  • Writer's pictureamlan ganguly

সিনেমায় যেমন হয়...The Rev. Opt...

The Revolutionary Optimists' Team

Hello:

I'm trying to reach Mr. Ganguly. I am a documentary filmmaker working out of Stanford Medical school. My colleague, Maren Grainger Monsen and I are currently developing a global health documentary film and advocacy project. The project, entitled "The Revolutionary Optimists" would use television and innovative digital distribution techniques to bring to life the stories of visionary people around the world who are having a revolutionary impact on global health. We intend the project to spread successful strategies, inspire leadership, educate decision-makers and serve as a global call to action. Our advocacy partners include The ONE Campaign, The Global Business Coalition for AIDS, Malaria & TB, the Global Health Council, Harvard University's Global Health Delivery Project, and Stanford University's Program in Bioethics and Film. We are extremely moved and inspired by what we know of your organization and your Health Minders initiative and would love to talk with Mr. Ganguly to see if he might want to be involved in our project. I write with some urgency because we have a line on a possible funder for the project, who would like us to present several story ideas by mid-next week! Is there any possibility you might be available for a phone call in the next several days? I would be happy to call you. I am in San Francisco. It looks like we are 12.5 hours behind you, so I guess 7-p a.m. or 6-8 p.m. your time might work. Thank you and I am sorry to ask for such a quick turnaround - I am sure you are extremely busy. Congratulations on your excellent work. Kind regards, Nicole Newnham Producer

২০০৮ সালের ১০ই অক্টোবার এই ই-মেল এসে হাজির হল সকাল ৬টা ৩৭ মিনিটে। আর সেইদিন থেকে একটার পর একটা নেটওয়ার্কিং এ প্রয়াসম আর তার সঙ্গে আমরা নিজেদেরকে আরও সমৃদ্ধ করেছি। মেশার সুযোগ হয়েছে নানান পেশার নানান নেশার লোকেদের সঙ্গে। ঘুরতে হয়েছে দেশ বিদেশের প্রচুর প্রচুর জায়গায়। আর জানতে শিখতে পেরেছি অনেক কিছু। নিজেকে ভেঙ্গে নতুন করে গড়ার সুযোগ করে দিয়েছে এই ডকু ফীচার। প্রথম যখন জানতে পেরেছিলাম যে আমাকে Cara Mertes, Director of the Sundance Documentary Film Program ফাইন্যালি বেছেছেন ওয়ার্ল্ডের ৫ জন entrepreneurs দের মধ্যে একজন, যাদের মধ্যে Mohammed Yunus, Abul Hasanat Mohammed Rezwan, AloyChife এর মতো ব্যক্তিত্ত্ব রা রয়েছেন, বেশ অবাক হয়েছিলাম ।

তারপর BAVC Producers Institute এ ফাইন্যাল ৫ জনের কাজ নিয়ে পিচিং হল - সিলেক্ট করা হল প্রয়াসমের methodology আর philosophy কে। USAID এর ডাইরেক্টার এসে সবার সামনে বললেন বিশ্বের দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য যে পন্থা প্রয়াসম দেখাচ্ছে - সেটাই সবচেয়ে দরকার। এরপর স্কোল ওয়ার্ল্ড ফোরাম https://itvs.org/blog/optimistic-daredevils-for-social-change এর প্ল্যাটফর্মে নিজেদের কাজ, বক্তব্য তুলে ধরা। বাচ্চাদের কিভাবে সমাজের "Contributors" করা যায় তা বোঝানো।

TED X এর মঞ্চে সালিম শিখা - র জোরালো বক্তব্য রাখা https://www.youtube.com/watch?v=bYOWkhBwHho এবং বুঝিয়ে দেওয়া যে তাঁরা যেখানেই বসবাস করুক না কেন কাজ এমন করেছে যে সারা পৃথিবী কুর্নিশ করতে বাধ্য হবে। Hilton LightStay Sustainability Award পায় এই ফিল্মটি - https://www.youtube.com/watch?v=9K8__KlOBtg

ভারত অ্যামেরিকা সহ ৯ টি দেশে চলল এই ফিল্ম। New York Times থেকে নব ভারত টাইমস বাদ গেলো না কোন পত্র পত্রিকা। সিনেমা-র শক্তি যে এতো পাওয়ারফুল হতে পারে তা কল্পনাও করিনি কখনও। অ্যামেরিকার খুব কম শহর রয়েছে যেখানে এই ফিল্ম পৌঁছাল না। তারপর অ্যামেরিকার PBS ভারতের দূরদর্শন বাংলাদেশের জাতীয় টেলিভিশান নেটওয়ার্ক এই ফিল্মটিকে সিরিজ আকারে দেশের বিভিন্ন কোনায় কোনায় ছড়ায়। মনে আছে আমরা ই মেল পেতাম বরামুলা থেকে বা কখনও দিসপুর থেকে। একদিন বিকেলে দেখি আমাদের এক ভলান্টিয়ার আমাদের জানালো যে হিস্ট্রি চ্যানেল এ দ্য রেভিলিউশনারী অপ্টিমিস্টস সিরিজ আকারে দেখাচ্ছে আর তার বাংলা সাবটাইটেল করতে হচ্ছে তাঁকেই । এরপর স্কটল্যান্ডের টেক ওয়ান অ্যাকশান বা Gleitsman International Activist Award, an initiative of the Kennedy School of Government, Harvard University -র দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলাম আমরা।

গোয়ায় যখন প্রথমবার প্রদর্শিত হল এই সিনেমাটি দর্শকের রেসপন্স দেখার মতো ছিলো - সিনেমা শেষ হবার পর প্রায় পাঁচ ছয় মিনিট ধরে চলল স্ট্যান্ডিং ওভেশান। তারপর প্রশ্ন আর প্রসংশা দুটোই চলল একসাথে। সপ্তর্ষি আর পিয়ালীদি ছিলেন আমার সঙ্গে - মানে সেই অনুভূতি ভোলার না। আস্তে আস্তে নিজেরা ফিল্মের কাজ শুরু করলাম। অ্যাডোবি এল, হল প্রয়াসম ভিস্যুয়াল বেসিকস আর কমিউনিটি ভিস্যুয়াল নিউজ নেটওয়ার্ক। তারপর কলাঞ্জলী। Just একটা ই মেল পাল্টে দিলো আমাদের পরিচিতি - সাধারণ একটা লোক্যাল এন জি ও থেকে ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি হয়ে ওঠা সম্ভব হয় এই ডকু ফীচার টির দৌলতে। ভাগ্যিস অশোকা ফেলো -র রেজিস্টারে আমার নামটা ছিলো নইলে মারেন আর নিকোল কি খুঁজে পেতো আমাদের? ভাবলে এখনও সিনেমাই মনে হয়।


51 views0 comments

Related Posts

See All

Yorumlar


bottom of page