top of page
  • Writer's pictureamlan ganguly

Judwaa...

Updated: Jun 18, 2022

স্কুলে পড়ার সময় হেমা মালিনীর সীতা আউর গীতা দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলো মিষ্টিমাসি। তখন পুরনো অনেক হিট সিনেমা আবার হলে রিলিজ করতো। এরপর টি ভি তে দেখি দিলীপ কুমারের রাম আউর

শ্যাম আর পরে কলেজে পড়ার সময় শ্রীদেবীর চালবাজ দেখতে গিয়েছিলাম আর অনিল কাপুরের কিষাণ কানহাইয়া দেখি সল্টলেকে আমার প্রথম জন্মদিনে বেহালার বন্ধুদের সঙ্গে। চারটে সিনেমার গল্পই মোটামুটি এক গতের আর সব ফিল্মেই যমজ ভাই বা বোনেরা ভাগ্যচক্রে আলাদা হয়ে যায়। আর সিনেমার মধ্যলগ্নে The Comedy of Errors এর ধাঁচে একে অন্যের জায়গায় এসে পড়ে এবং তারপর

চলে ভুল বোঝাবুঝির পালা - with a major part of the humour coming from slapstick and mistaken identity, in addition to puns and word play. চালবাজ এ অঞ্জু -মঞ্জু -রও এক অবস্থা। এই সিনেমায় শ্রীদেবী-র অভিনয়, বিশেষত কমিক টাইমিং দেখার মতো। চালবাজের কয়েকটি গান বিশেষ করে কিসিকি হাত না অ্যায়েগী ইয়ে লাড়কী ...এর মধ্যে কিষাণ কানহাইয়া সবচেয়ে নিম্ন মানের । মনে আছে এই সিনেমাটি দেখার পর আমাদের এতো খারাপ লেগেছিলো যে আমাকে কেউ আর জন্মদিনের ট্রিটের কথা বলেইনি পাছে এই সিনেমার মতো কোনও বাজে খাবার ওদের খাওয়াই।

আমাদের প্রয়াসমে এইরকম কুম্ভ মেলায় হারিয়ে যাওয়া দুই দাদা ভাইকে আমরা সবসময় দেখতে পাই।

আমি সপ্তর্ষি আর সেলিমের কথা বলছিলাম। মানে দুজনের চরিত্রে স্বভাবে অস্বাভাবিক মিল। Identical Twins বললে অত্যুক্তি হবে না। এঁদের দুজনেই গ্যাজেট ফ্রিক। মানে একটা যে কোনও গ্যাজেট হাতে আসলে সেটা নিয়ে এঁরা না খেয়ে না ঘুমিয়ে সাত আটদিন কাটিয়ে দিতে পারে। দুজনেই সমান ভাবে ক্ষ্যাপা (প্রশান্তের ভাষায় "তার কাটা" - দুজনের লিঙ্গো (মানে যে ভাষায় কথা বলে) এক। দুজনেই প্রয়াসম অন্ত প্রাণ। আর দুজনেই আমাকে ঠিক একভাবে জ্বালিয়েছে ও জ্বালাচ্ছে। মানে প্রয়াসমের সবাই যদি একদিকে যায়, এঁরা যাবে অন্য পথে।

সবাই যা খায় এঁদের তা পছন্দ নয়। সুতরাং আমার প্রসাদ কে আলাদা করে এঁদের জন্য প্রায় প্রতিদিন কিছু না কিছু স্পেশাল করতে দিতে হয়। নইলে শুনতে হয় - আগে এইসব হতো এখন সবাই এতো ব্যস্ত যে কেউ কারোর খোঁজ রাখে না। এঁদের যত আবদার অভিমান অসভ্যতামি -র জায়গা হলো সি জি ৬৫।

বাড়ির লোকেদের এঁদের বলে দেওয়া আছে ওনারা যেন কষ্ট করে ওদের জন্য কিছু না কেনেন আর ঠিক সেই কারণে আমার ওয়াড্রোব গুলো ওদের প্রায় ব্যক্তিগত মালিকানা। টি টোয়েন্টি ফাইভ বা যাও পাখি বা এ যাবৎ প্রয়াসমের যে কোন অনুষ্ঠানে আমাদের কোনও কালার কোড থাকলেই আমি প্রমাদ গুনি - কারণ জানি আর সবাই নিজেদেরটা জোগাড় করে নিলেও - এঁরা থাকবে আমার ভরসায়।

তবে একটা কথা স্বীকার না করে উপায় নেই এঁরা না থাকলে প্রতিটা মুহূর্ত এইরকম রঙ্গীন হতো না। এঁদের আন্টিক্স দেখতে দেখতে এতোগুলো বছর কখন যে পার হয়ে গেলো তা বুঝতেই পারলাম না। একজন এসেছিলো ২০ বছর বয়েসে অন্যজন ৯ বছর। মানে যে পরিমাণ কাজ এঁরা দুজনে মিলে সামলেছে তা বলার নয়। আমাদের প্রয়াসম যে ডিজিটাল মিডিয়ায় এতো সাউন্ড তার জন্য credit goes to Saptarshi...সারাক্ষণ একটাই ইচ্ছে প্রয়াসম কে বড় করতে হবে। আর তার জন্য যেরকম কাজই আসুক না কেনও কুছ পরোয়া নেই। সেলিম আর যাই করুক কোনদিন প্রয়াসম কে বাইরের কারো কাছে ছোট দেখাবে না। মানে প্রয়াসম ওদের নিজের পরিবারের মতো - যার ওপর মান অভিমান তো করা চলে দূরে সরিয়ে রাখা যায় না, তার সঙ্গে কোনরকম অসৎ ব্যবহার করার কথা ভাবা যায় না।

এঁদের দুজনের সঙ্গে নানান ঝামেলায় আমি প্রায়ই জড়িয়ে পড়ি। আগে আগে লোকেরা একটু আবাক হতো আগের দিনই হয়তো তুমুল কথা কাটাকাটি হলো পরেরদিনই তিনজনে বসে কোনও সিনেমা দেখলাম বা খেতে বার হলাম - এখন সবারই গা সওয়া হয়ে গেছে। আড়ালে আবডালে নিন্দুকেরা বলে আমি নাকি এঁদের লাই দি। আসল কথাটা হলো এঁদের তার প্রয়োজন পড়ে না - এঁদের কাছে স্যার বা দাদা আছে মানে সাতখুন মাফ...এদের জগতে এঁদের বোঝার লোক খুব কম...আমি ভর্তুকি দেওয়ার চেষ্টা করি মাত্র...যতই বকাবকি করি এই দুই মানিকজোড় প্রয়াসমের 'স্বাস্থ্য" এর জন্য অপরিহার্য তা স্বীকার না করে উপায় নেই। অগত্যা...।



27 views0 comments

Related Posts

See All

Mucize

Коментарі


bottom of page